সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৫

জেদ্দা এয়ারপোর্ট

জেদ্দা বিমান বন্দরে নেমে বিশ্রাম কক্ষে অপেক্ষা করতে হবে । পাসপোর্টে প্রবেশ সিল লাগানো হলে আপনার লাগেজ/ব্যাগ সংগ্রহ করুন । ব্যাগ মেশিনে স্ক্যান করিয়ে মুল বিল্ডিং থেকে বের হলে ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষ আপনার ব্যাগ নিয়ে বড় ট্রলিতে উঠিয়ে নিবে । পাসপোর্টে সিল মোহর লাগানো এবং স্ক্যানিং পর্যন্ত আপনাকে অনেক সময় বসে কিংবা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে । 

বাংলাদেশের পতাকা টানানো জায়গায় আপনার ব্যাগসহ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন । পাসপোর্টে লাগানো স্টিকারই আপনার সৌদি মোয়াল্লেম নাম্বার । জেদ্দা থেকে মক্কা কিংবা মদীনা যেতে আপনার পাসপোর্টে লাগানো স্টিকারে যে নাম্বার আছে সেই নাম্বারের বাসে আপনাকে নিয়ে যাবে । সর্ব অবস্থায় বাসের জন্য ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করুন । আপনার এজেন্সীর কন্ট্রাককৃত সৌদি মোয়াল্লেমের বাস মক্কা ও মদীনায় হোটেলে/বাসায় পৌঁছে দেবে । আপনার পাসপোর্টটি জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে মোয়াল্লেম কর্তৃপক্ষ নিয়ে নেবে । --(চলবে)-------
"শারঈ' মানদন্ডে
দোয়া-যিকির,হজ্জ ও উমরা" 

বিবাহ এবং তার গুরুত্ব

প্রেম-প্রীতি, ভালোবাসা ও মনের পরম প্রশান্তি লাভই হচ্ছে বিয়ের প্রধানতম উদ্দেশ্য । 
ইসলামে নারী পুরুষের মধ্যে  সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায়, একমাত্র বিধিবদ্ধ ব্যবস্থা । বিয়ে ছাড়া অন্য কোনো ভাবে- অন্য পথে - নারী পুরুষের মিলন ও সম্পর্ক স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ । বিয়ে হচ্ছে পুরুষ ও নারীর মাঝে সামাজিক পরিবেশ ও সমর্থনে শরীয়াত মোতাবেক অনুষ্ঠিত এমন এক সম্পর্ক স্থাপন, যার ফলে দুজনের একত্রে বসবাস্ব পরস্পরে যৌন সম্পর্ক স্থাপন সম্পূর্ণরুপে বৈধ হয়ে যায় । যার দরুন পরস্পরের উপর অধিকার আরোপিত হয় এবং পরস্পরের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য অবশ্য পালনীয় হয়ে দাড়ায় ।
পবিত্র কুরআনুল কারীমে্র সুরা আন-নুরের ৩২নং আয়াতে মহান আল্লাহ পাক বলেনঃ বিয়ে দাও তোমাদের এমন সব ছেলে -মেয়েদের, যাদের স্বামী বা স্ত্রী নেই, বিয়ে দাও তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা বিবাহের যোগ্য হয়েছে । Marry the unmarried among you and the righteous among your male salves and female salevs. Sura an-noor- 32 অন্যত্র আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বলেনঃ তোমরা মেয়েদের অভিভাবক মুরুব্বীদের অনুমতিক্রমে তাদের বিয়ে করো । অবশ্য অবশ্যই তাদের দেন মোহর দাও । সুরা নিসা- ২৫ 
Whoever among you cannot the means to marry free believing women........   ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়াল আনহু থেকে বর্ণিত সাইয়েদুল মুরসালীন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুমারিত্ব ও অবিবাহিত বা নিঃসঙ্গ জীবন যাপনের কোন নিয়ম ইসলামে নেই । বুখারী-১৪১৬

ইসলামের দৃষ্টিতে পারিবারিক জীবনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নরনারীর নৈতিক পবিত্রতা ও সতীত্ব সংরক্ষন । আর এজন্য বিয়ে করা কে ফরজ করা হয়েছে । তেমনি পুরুষদের জন্য এ অনুমতিও দেয়া হয়েছে যে, বিশেস কোন কারনে যদি একসাথে একের অধিক স্ত্রী গ্রহন করা তার পক্ষে অপরিহার্য হয়ে পড়ে তাহলে সে করতে পারে । তবে তার শেষ সীমা হচ্ছে চারজন পর্যন্ত । একসঙ্গে চারজন পর্যন্ত  স্ত্রী গ্রহন করা একজন পুরুষের পক্ষে জায়েয-বিধি সম্মত ।  এ সম্পর্কে পবিত্র  কুরআন মজিদে যে আয়াতটি রয়েছে তা হচ্ছেঃ তবে যে সব নারীদের তোমরা পছন্দ করো, তাদের মধ্য থেকে বিয়ে করে নাও - দুই -তিন -চারজনকে । সুরা আন-নিসা- ৩ । Then marry those that please you of women, two or three or four.  চারটি কাজ নবীগনের সুন্নাতের মধ্যে গন্য; তা হচ্ছেঃ 
(১) সুগন্ধি ব্যবহার করা । (২) বিয়ে করা । (৩) মিসওয়াক করা । এবং (৪)  খাতনা করানো ।
সুরা আন-নিসার ৩ নং আয়াতের শেষে বলা হয়েছে - আর তাদের মধ্যে সুবিচার করতে পারবে না বলে যদি ভয় করো তোমরা, তাহলে একজনমাত্র স্ত্রী গ্রহন করবে । 


মাওলানা আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের আনা অভিযোগ ডাহা মিথ্যা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

# ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন
# ১৯৭৬ সালে তিনি গোপালগঞ্জ জেলার গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান
# ১৯৮১ সালে তিনি জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত হন
# তিনি একাধারে ইউনিয়ন পরিষদ,  উপজেলা পরিষদ সর্বশেষ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর,  সাবেক সংসদ সদস্য,  বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেককে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। জেলার শীর্ষ পর্যায়ের একজন আলেমকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনায় জেলাব্যাপি গত দ’ুদিন ধরে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ছাত্রজীবনে তিনি একজন মেধাবি ছাত্র ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়সহ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি জ্ঞান অর্জন করেন। ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। ১৯৭৬ সালে তিনি গোপালগঞ্জ জেলার গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ পান। ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন না।
 ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালীন রাজাকার বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে কয়েকটি হত্যাসহ হিন্দু পরিবারের জমি ও বাড়ি দখল করার অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত এ নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকরা করা হয়েছে। তার স্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার যে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে তারই ধারাবাহিকতায় তার স্বামীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তার স্বামী এ ধরনের অপরাধে জড়িত থাকলে সাতক্ষীরার জনগণ তাকে বিপুল ভোটে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করতো না। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে সরকার মাওলানা আব্দুল খালেককে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে। ইতঃপূর্বে সরকারি দলের ইঙ্গিতে তার বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।
তিনি বলেন,  সরকার আইনের শাসন ও গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করে চিরদিন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী জনগণের ভালবাসা ছাড়া জোর করে ক্ষমতায় থাকা যায় না। মিথ্যা,  বানোয়াট মামলা দিয়ে তার স্বামীকে যতই হয়রানি করার অপচেষ্টা করা হোক না কেন জনগণের নিকট তা গ্রহণযোগ্য হবে না। জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করে অবিলম্বে তার স্বামী মাওলানা আব্দুল খালেককে নিঃশর্তভাবে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান তিনি।
সূত্রে জানা যায়,  ছাত্রজীনে তিনি মেধাতালিকায় দুই-পাকিস্তানের স্বর্ণ পদক পেয়েছেন। বেশির ভাগ সময়ে তিনি জ্ঞান সাধনায় ব্রত থাকতেন। কুরআন হাদিসের জ্ঞান ছড়িয়ে দেয়াই ছিল তার কাজ। হাজার হাজার আলেম তাকে উস্তাদ হিসেবে সম্মান করে। তিনি একাধারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সাংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময়ে তিনি সাতক্ষীরা সদর আসন থেকে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ক্ষমতায় থাকাকালে তার বিরুদ্ধে কেউ অনিয়য়ম দুর্নীতির অভিযোগ আনতে পারেনি। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পাপলন করার পরও সারাজীন তিনি সাধারণ জীপনযাপন করতেন। বিলাশবহুল বাড়ি গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ তিনি পেলেও তা করেননি। সকল লোভ লালশার উর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের সেবা করতেন। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি এক কাঠা জমিও ক্রয় করতে পারেননি। এমনকি যেদিন তার সংসদ সদস্য পদ শেষ হয়ে যায় সেদিন ও তার ঘরে ভাল খাদ্য খাবার ছিল না। এমন মানুষের সন্ধান খঁজে পাওয়া বিরল বলে অনেকে তাকে মহৎ মানুষের জীবনের সাথে তুলনা করেন। তাকে পীরের মর্যাদা দিতেও সাতক্ষীরার মানুষ পিছে থাকেনি । এমন একজন বড় মাপের মানুষ অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক।
গ্রামের মক্তবে তার লেখা পড়া জীবন শুরু। ১৯৫৭ সালে আগরদাড়ী মাদ্রাসা হতে প্রথম বিভাগে দাখিল পাশ করেন। ১৯৬১ সালে আলিম পরীক্ষায় তিনি বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) First Class Second । ১৯৬৩ সালে ফাযিল পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান (পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান মিলে) First Class 3rd হন তিনি। ১৯৬৯ সালে কামিল পরীক্ষায় দুই পাকিস্তানে First Class 1st হন। কৃতিত্বে পুরস্কার স্বরূপ পান Gold Meda। এরপর তিনি HSC ভর্তি হন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে। ১৯৬৭ সালে তিনি সমগ্র পাকিস্তানে First Class 3rd হন। ১৯৬৯ সালে Degree পরীক্ষায় First Class 6th  হন। তারপর তিনি ঢাকা ইউনিভার্সিটি হতে Masters প্রথম পর্ব পরীক্ষায় ১৯৭০ সালে প্রথম বিভাগে 11th এবং ১৯৭৫ সালে MA দ্বিতীয় পর্ব চূড়ান্ত পরীক্ষায় First Class Second হন তিনি। এ মানুষটি ২০১৩ সালে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্ত করেন। তাই তিনি একজন কুরআনের হাফেজ। তার এ দীর্ঘ শিক্ষা জীবনে কোথাও কখনো নিয়ম ভঙ্গ করার অভিযোগ কেউ করতে পারেনি। আর আজ শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য তাকে জঘন্য মিথ্যা মামলায় ফাসানো হলো।
 মাওলানা আব্দুল খালেক ১৯৭৩ সালে সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসায় হেড মাওলানা পদে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিন বছর পর ১৯৭৬ সালে তিনি গোপালগঞ্জ জেলার গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭৭ সালে নড়াইল শাহাবাগ কামিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হন। একই বছর তিনি আগরদাড়ী আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসায় প্রধান মাওলানা পদে যোগদান করেন। ১৯৮১ সালে আগরদাড়ি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হন। ১৯৮১ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ বছর অত্যান্ত যোগ্যতার সাথে তিনি অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৮৭ সালে স্থানীয় ইউনিয় পরিষদ নির্বাচনে বৈকারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য হলে বিপুল ভোটে তিনি চেয়ারম্যান হতে পারতেন না। ১৯৮৯ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সারা বাংলাদেশব্যাপী। সেই নির্বচনে তিনি প্রায় ৪০, ০০০ (চল্লিশ হাজার) ভোটের ব্যবধানে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনে সাতক্ষীরা সদর আসনের সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যাবধানে। যেই শিমুল বাড়ীয়ায় তাকে ৭১ এর নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে তা যদি সত্য হতো তাহলে ১৯৮৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে সেই এলাকা থেকে তিনি কি ভোট পেতেন? শুধু ভোট পাওয়া নয় সেই কেন্দ্রেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিলেন।
 ১৯৮০ সালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রাজনৈতিক কর্মকান্ড নয় শিক্ষামূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৮১ সালে আগরদাড়ী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হওয়ার পর তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন হন এবং ইউনিয়ন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। এরপর থানা সভাপতি, জেলা নায়েবে আমীর এবং ২০১২ সালে সাতক্ষীরা জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত হন। ২০১২ থেকে ২০১৫ চলতি সাল পর্যন্ত তিনি সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর আছেন। সুত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম 

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৫

প্লেনে যাত্রীর করণীয়


প্লেনে উঠার পর একজন হাজীর সর্বপ্রথম কর্তব্য হলো হাতে কোনো কিছু থাকলে তা সীট বক্সে রেখে নিজের সীটে বসে সীট বেল্ট বাধা । নিজের সীট খুজে পেতে সমস্যা হলে প্লেনের লোকদের সাহায্য নিতে হবে, তারা সীট দেখিয়ে দেবে । সীট বেল্ট বাধতে না জানলে অন্যের সহযোগিতা নিতে হবে । সীটে বসে সেই দোয়াটি পড়তে হবে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহনে উঠে যে দোয়া পড়তেন ।
"বিসমিল্লাহিল হামদুলিল্লাহি, সুবহানাল্লাযী সাখখারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীনা, ওয়া ইন্না রাব্বিনা লামুন ক্বালিবুন" সীটে নিরবে বসে না থেকে তাসবীহ তাহলীল দোয়া দুরুদ পড়তে থাকুন । সাথে যদি কুরআন শরীফ থাকে তাহলে তিলাওয়াত করা উত্তম ।
প্রস্রাব, পায়খানা প্রয়োজন হলে প্লেন ছাড়ার পূর্বেই তা সেরে নেয়া ভালো । প্লেন আকাশে উড়া অবস্থায় টয়লেট ব্যবহার না করাই উত্তম । ইহরামের কাপড় নোংরা/ নষ্ট হবার ভয় থাকে । প্লেনে পানির পরিবর্তে টিস্যু পেপারের ব্যবস্থা থাকে । খুব জরুরী হলে সতর্কতার সাথে বাথরুম যেতে হবে । নামাযের ওয়াক্ত হলে কর্তৃপক্ষ তায়াম্মুম করার জন্য মাটির চাকা সরবরাহ করে থাকেন । তায়াম্মুম করে সীটে বসেই সফরকালীন কসর নামাজ আদায় করুন । কিবলা কোনদিকে জানা না থাকলে, জিজ্ঞাসা করে জেনে নিন । --(চলবে)-------
"শারঈ' মানদন্ডে
দোয়া-যিকির,হজ্জ ও উমরা" 

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫

ঢাকা হজ্জ ক্যাম্পে করনীয়


ব্যালটি হাজী হলে হজ্জ অফিস থেকে প্রেরিত অনুমতিপত্রে নির্ধারিত যে তারিখ থাকবে, সে তারিখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হজ্জ ক্যাম্পে গিয়ে রিপোর্ট করবেন । নন-ব্যালটি বা বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ্জযাত্রীগন এজেন্সীর পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী কার্যসমূহ করবেন । হজ্জ ক্যাম্পে রিপোর্ট করার সময় সরকারী ব্যবস্থাপনার ব্যালটি হাজীগন সাথে করে আনবেন অনুমতিপত্র, ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার ডুব্রলিকেট রশিদ সমূহ, মেডিকেল সার্টিফিকেট ও অন্যান্য কাগজপত্র । নন- ব্যালটি বা বেসরকারী ব্যবস্থাপনার হাজী সাহেবগন সংশ্লিস্ট এজেন্সীর পরামর্শ অনুযায়ী কাগজপত্র সাথে আনতে হবে । হজ্জ ক্যাম্পের ডরমেটরিতে শুধু হজ্জযাত্রীদের থাকার অনুমতি দেয়া হয় । তাই আত্মীয় স্বজন সাথে আসলেও তারা নিচ তলায় হজ্জযাত্রীকে নানাবিধ দাফতরিক কাজে সহযোগিতা করতে পারেন । হজ্জ ক্যাম্পে ধূমপান ও পান খাওয়া নিষেধ । প্রয়োজনীয় খাবার খেতে তিনটি ক্যান্টিনে ২৪ ঘণ্টা খোলা পাবেন । বাইরে থেকে খাবার আনার প্রয়োজন নেই । প্রয়োজনীয় সকল  কাগজপত্র ও বৈদেশিক মুদ্রা যথাযথভাবে সংরক্ষন করতে হবে । এগুলো হারিয়ে গেলে বা ত্রুটি থাকলে হজ্জে যাওয়া যাবে না । নিজের ব্যাগ বা লাগেজে নাম ঠিকানা, পাসপোর্ট ও মোবাইল নাম্বার লিখে লাগেজের গায়ে সেঁটে দেয়া যেতে পারে । ---(চলবে)-------

"শারঈ' মানদন্ডে

দোয়া-যিকির,হজ্জ ও উমরা"


গোলাম আজমের রুপরেখা বাস্তবায়ন হল বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান, তিউনিশিয়ার পর তুরস্কেও


বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নন্দিত এবং নিন্দিত একটি নাম গোলাম আজম । আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাকে চিনি না । খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়নি । তবে তার লেখা অনেক বই পড়েছি । তার মেধার তুলনা তার বই । ছোটবেলা থেকেই আর নয় জন বাংলাদেশীর মত আমিও তাকে ঘৃণা করেই বড় হয়েছি হলুদ মিডিয়ার কল্যাণে । “আর নয়জন” বললাম এ কারনে দশজনের একজন তার বা তার আদর্শের পক্ষে ছিল । ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা “র” এর এক জরিপ ছিল এমন যে “শতকরা ২৫ জন জামায়াতের সমর্থক বাংলাদেশে” ২০০৯ এর পরে তাকে/তাদের সম্পর্কে জানার সুজুগ হয় আমার । এখনও কম বেশী জানার চেষ্টা করছি । আমি সব সময় বিতর্কিত মানুষকে পছন্দ করতাম যারা দেশ ব্যাপি বিশ্ব ব্যাপি বিতর্কিত এমন সব লোক । আমার লজিক পৃথিবীর সব বহুল বিতর্কিত ব্যক্তিরাই ছিল জ্ঞানী , স্বরণীয়, বরণীয় । সেটা হিটলার থেকে মুছোলিনী, চেঙ্গিস খান থেকে নেপোলিয়ান, শেখ মুজিব থেকে গোলাম আজম ।

আজকের বিষয় গোলাম আজম । মেধাবী চৌকস ও অভাবনীয় নেতৃত্বের গুণাবলীসম্পন্ন ক্ষণজন্মা মানুষটি ১৯২২ সালে ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে সম্পৃক্ত হন ছাত্র আন্দোলনের সাথে। ১৯৪৭-৪৮ ও ৪৮-৪৯ সালে পরপর দু’বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর জিএস (জেনারেল সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়ে পাকিস্তান সরকার দ্বারা কারা নির্যাতিত হন। এই মহান নেতা ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। শেখ মুজিব কর্তৃক ’৬৬ সালের ছয় দফা দাবি তৈরিতে অংশ নেয়া ২১ সদস্যের অন্যতম। 

১৯৫০ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯৫৪ সালে যোগদান করেন জামায়াতে ইসলামীতে এবং প্রত্যক্ষভাবে শুরু করেন রাজনৈতিক জীবন। অখ- পাকিস্তানে ১৯৫৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। কপ (কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি) পিডিএম (পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট) এর সেক্রেটারী জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। , ডাক (ডেমোক্রেটিক এ্যাকশন কমিটি) ইত্যাদি আন্দোলনে জনাব শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্য সকল দলের নেতাদের সাথে অংশগ্রহণ করে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। রাজনৈতিক কারণে ১৯৬৪ সালেও তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল ।

১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ঢাকায় আসেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়াম মাঠে ছাত্রদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। তাকে ২৭ নবেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি সংবলিত একটি ঐতিহাসিক স্মারকলিপি প্রদান করা হয় যার নেতৃ্ত্ব দেন গোলাম আজম ।

তার ছোট্ট একটা বর্ণনা দিলাম এ কারনে তার সত্য সম্পর্কে আমরা খুব কম জেনেছি । ৯১ বছর বয়সে ৯০ বছর সাজা পাওয়া এ মানুষটি সম্পর্কে জানা উচিৎ আমাদের নতুন প্রজন্মের ।

৭১ এর মহান মুক্তিযু্দ্ধ নিয়ে তাকে সব চেয়ে বিতর্কিত হতে হয়েছে । যারা ৪৭ এর দেশ ভাগ দেখেছে । দেখেছে বিশাল ভারতের নোঙরামি । কিভাবে ছোট ছোট দেশ গুলোকে নপুংশুক এর মত গিলে খেতে (উদা: স্বাধীনদেশ "সিকিম") তাদের পক্ষে ৭১ এ সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন ছিল । ১৯৪ বছর ইংরেজদের কাছে পরাধীন থাকার পর যে মুসলিমরা আলাদা দেশ পেল সে দেশ আবার হাত ছাড়া হয়ে যাবে , ভাগ হয়ে যাবে । এটা মানতে পারছিল না তারা । যেমন মানতে পারছিল না সদ্য পাওয়া নতুন দেশ পাকিস্তানের সাশকদের অত্যাচার ও । ইন্দিরা গান্ধিরা যখন বার বার এ কথা বলে বেড়ােতা সভা সমাবেশে " মাথার এক পাশে ব্যাথা থাকলে বাঁচা জায় কিন্তু মাথার দুই পাশে ব্যাথা নিয়ে ঘুমানো মুশকিল" ভারতের দুই পাশে দুই মুসলিম দেশ পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান কে উদ্ধেশ্য করে ছিল এমন বক্তব্য 

তার জানাজা নামাজের দিন গিয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত একজন মানুষের এমন শোক মিছিল দেখে আমার মত অবাক হয়েছিল এ দেশের সকল গনমাধ্যম, বিশ্বমিডিয়া । 

বহুল বিতর্কিত ছিল তার অভিযোগ । ট্রেয়াল দেয়া শাক্ষি । ৪৩ নাম্বার আসামির যদি ৯০ বছর সাজা হয় তা হলে বাকি ৪২ জনের নামও কেন জাতি জানেনা । নতুন প্রজন্মের কাছে আজীবন এটা কৌতুহল থেকে জাবে আ,লীগ সহ তার বিরোধীর কাছে । ২০১২ তে গোলাম আজম যুদ্ধাপরাধীর আসামি হলে । ৯৪ তে কিভাবে আ, লীগের কাছ থেকে মন্ত্রীর প্রস্তাব পাঠায় । কি ভাবে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আবদুস সাত্তার কে জায়নামাজ, তসবি দিয়ে কদমবুচি করতে পাঠায় খোদ দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা । আরো অসংখ প্রশ্ন হয়তো মাথায় আসবে নতুনদের । যার উত্তর হয়তো কেউই দিবে না ।

১৯৮০’র দশকে এবং ১৯৯০ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে এবং ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে বিএনপি’র বিরুদ্ধে আন্দোলনে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ যুগপৎ আন্দোলন করেছিল । একটি সুষ্ঠ পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য যখন কোন ফর্মুলাই কাজে আসছিলনা । তখন গোলাম আজম কেয়ারটেকার পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন । কিছুটা বিরোধীতা থাকলেও একটা পর্যায় সকলেই বলতে বাধ্য হন এর থেকে ভাল দ্বিতীয় কোন পথ নেই । দেশে বিদেশে উচ্ছসিত প্রসংশা পায় । যারা একটা সময় এক সাথে আন্দোলন করে কেয়ারটোকার পদ্ধতি চালু করলেন আবার সেই তারাই তাদের স্বার্থে সেটার বিলুপ্তি করে দেন । যার খেসারত আজো দিচ্ছে বাংলাদেশ । যে গণতন্ত্র উত্তরণে ৯০-এ তার কেযারটেকার পদ্ধতি জাতিকে দিয়েছিল মুক্তির দিশা । 

কিন্তু অবাক করার বিষয় হচ্ছে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পথিকৃত মনে করা হয় বাংলাদেশকে। এ ব্যবস্থা চালু করে বাংলাদেশ এক সময় বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছিল। 

আওয়ামী লীগ এ ব্যবস্থার জন্য কৃতিত্ব দাবি করলেও এই দলটিই আবার ব্যবস্থাটি বাতিল করে দিয়েছে, যার জের ধরে বাংলাদেশ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

আওয়াম লীগ সরকার সংবিধান পরিবর্তন করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে দিলেও নেপাল, পাকিস্তা তিউনিশিয়া সহ বহু দেশই এখন এ ব্যবস্থাকে গ্রহণ করেছে। সর্বশেষ এই তালিকায় যোগ হচ্ছে তুরস্কের নাম।

ড.মুহাম্মদ শহিদুল্লাহর একটি লেখা পড়ছিলাম “যে দেশে গুণিদের কদর করতে জানেনা, সে দেশে গুণি জন্মে না” ড. শহিদু্ল্লাহ নেই তার কথা আছে । গোলাম আজম নেই তার দেখানো পদ্ধতিতে আজো সমাধান খুঁজে পায় বিশ্বের বিভিন্ন্ প্রান্তে । 

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৫

ভেক্সিনেশন ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র

সৌদি সরকারের নির্দেশিত ভেক্সিনেশন বা টিকা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই নিতে হবে এবং তার সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে থাকতে হবে । বাংলাদেশ থেকে যারা হজ্জ আদায়ের জন্য যান তাদের টিকার ব্যবস্থা হজ্জ এজেন্সীর পত্র নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করলে ভেক্সিনেশন পাওয়া যাবে । কিন্তু বিদেশ থেকে যে সকল বাংলাদেশি হজ্জে যান তাদেরকে নিজ দায়িত্বে এ ব্যবস্থা সুসম্পন্ন করতে হবে । এরপর সফরের জন্য আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে নিতে হবে । যেমনঃ
০১ । পুরুসদের জন্য দুই টুকরা সেলাইবিহীন সাদা সুতি কাপড় যেটা টাওয়েল জাতিয় হলে ভালো হয় । দুই সেট নিতে হবে ।
০২ । নামাজ আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক নেয়া যায় বা মক্কা মদীনা থেকে লম্বা জুব্বাও কিনে নেয়া যায় ।
০৩ । টুপি বা সৌদি রুমাল ।
০৪ । আন্ডারওয়ার, কিন্তু ইহরাম  অবস্থায় আন্ডারওয়ার পরা যাবে না ।
০৫ । সাধারন জুতা যা পুরুষ ও মহিলাগন নিবেন এবং দুই ফিতা ওয়ালা স্যান্ডেল ।
০৬ ।  কোমরের বেল্ট যা প্যান্ট বা ইহরামের কাপড়ের সাথে পরতে পারবেন ।
০৭ । ঘুমানোর জন্য লুঙ্গী বা পায়জামা, গেঞ্জি ।
০৮ । গোসলের জন্য টাওয়েল ছোট একটি ও বড় একটি এবং গামছা ।
০৯ । ঠান্ডার মৌসুম হলে প্রয়োজনীয় শীতের পোশাক ।
১০ । মহিলাদের বোরখা, সেলাওয়ার কামিজ, ওড়না হিজাব ।
১১ । বিছানার চাদর ও বালিশের কভার যদি প্রয়োজন মনে করেন ।
১২ । আরাফাত ও মুজদালিফায় অবস্থানের জন্য বাতাস দিয়ে ফুলানো বালিশ, জায়নামাজ, সানগ্লাস, কোমরে বাধার জন্য মানি বেল্ট, টাকা রাখার জন্য গলায় ঝুলানো ব্যাগ, এগুলো অবশ্য ওখান থেকেও কেনা যায়, এজেন্সীও দিয়ে থাকে ।
১৩ । ছাতা, হাত ঘড়ি, খাবার প্লেট-গ্লাস, নেইল কাটার, কাপড় ধোয়া ও গায়ে মাখা সাবান, পিঠে ঝুলানো ব্যাগ । 
টুথ পিক, টয়লেট ও ফেসিয়াল টিস্যু পেপার, মোবাইল ফোন, ছোট টর্চ লাইট, লোশন বা শরীরে মাখার জন্য তেল, মুখে মাখার ক্রীম, ভ্যাজলিন, পাউডার, ছোট একটা কেচি, শেভ যারা করেন তারা প্রয়োজনীয় উপকরন নিবেন ।

আপনার প্রেসক্রিপশন সহ নিয়মিত সেবনের প্রয়োজনীয় ঔষধ ছাড়াও আমাশা, ডাইরিয়া, সর্দি কাশি জ্বর অ্যালার্জি ইত্যাদীর জন্য কিছু ঔষধ নিতে পারেন । আলাদা একটি ছোট ব্যাগের মধ্যে একটি নোট বুকে প্রয়োজনীয় দেশী বিদেশী ফোন নাম্বার নিন । পাসপোর্ট, অর্থ, ভ্রমনের সকল কাগজপত্র ইত্যাদী দুই সেট ফটোকপি যথাযথভাবে সংরক্ষন করুন  এবং এগুলোর ব্যাপারে সব সময় সচেতন থাকুন । ---(চলবে)-------

"শারঈ' মানদন্ডে
দোয়া-যিকির,হজ্জ ও উমরা"